1. live@www.dailyekusherbangla.online : দৈনিক একুশের বাংলা : দৈনিক একুশের বাংলা
  2. info@www.dailyekusherbangla.online : দৈনিক একুশের বাংলা :
বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৩:০৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
হাইমচরে শিক্ষক নজরুলের অকাল মৃত্যুতে শোকের ছায়া। দেশের সকল মানুষকে নিয়ে উন্নয়ন করতে হবে: এরশাদ উল্লাহ এমপি মুরাদনগরের নবীয়াবাদ মাদ্রাসার সামনে সড়কের পাশে মুকুলভরা আম গাছের পাতায় পাতায় শুভ্র গন্ধ বগুড়ার বেজোড়া দক্ষিণপাড়ায় ইমাম অপসারণ নিয়ে বিতর্ক: স্বচ্ছতা ও ন্যায়বিচারের দাবি এলাকাবাসীর দেবরের সঙ্গে সম্পর্কের জেরে গৃহবধূর রহস্যজনক মৃত্যু, এলাকায় চাঞ্চল্য পীরগঞ্জে যথাযোগ্য মর্যাদায় মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উদযাপিত পীরগঞ্জে বাংলাদেশ প্রেস ক্লাবের উদ্যোগে মহান ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হয়ে বাবার কবর জিয়ারত করলেন শামা ওবায়েদ মাহে রমজান উপলক্ষে মুরাদনগরে জামায়াতে ইসলামীর স্বাগত  র‍্যালি ভাঙ্গায় কণিকান্দা প্রভাতী কিন্ডার গার্টেন স্কুলের বার্ষিক ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়েছে।

চোখের আলো হারিয়ে অন্ধত্বের দ্বারপ্রান্তে মিলা; উন্নত চিকিৎসায় প্রয়োজন ৮ লাখ টাকা

প্রতিনিধির নাম :
  • প্রকাশিত: রবিবার, ৩০ নভেম্বর, ২০২৫
  • ২৬৭ বার পড়া হয়েছে

রংপুরের পীরগঞ্জের সরকারি শাহ আব্দুর রউফ কলেজের অনার্স দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্রী মোছাঃ তাসলিমা আক্তার মিলা আজ অন্ধত্বের সঙ্গে লড়াই করছেন। দুই বছর আগেও তিনি ছিলেন প্রাণচঞ্চল, প্রাণবন্ত এক তরুণী—পড়াশোনা, খেলাধুলা, সাংস্কৃতিক কার্যক্রম সবকিছুতেই যার ছিল সমান দক্ষতা। বাবা-মায়ের আদরের ছোট মেয়ে মিলা হঠাৎই জীবনের কঠিন বাস্তবতার মুখোমুখি হন।
দুই বছর আগে এক বিকেলে জ্বরে আক্রান্ত হওয়ার পর মিলাকে পীরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এবং পরে ঢাকার বক্ষব্যাধি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে বিভিন্ন পরীক্ষায় ধরা পড়ে—তার শরীরে বাসা বেঁধেছে যক্ষা। দীর্ঘ চিকিৎসায় যক্ষ্মা ভালো হলেও মিলার চোখের সমস্যা বাড়তে থাকে। ধীরে ধীরে ঝাপসা দেখা, পরে দু’চোখের আলো প্রায় নিভে যাওয়ার মতো পরিস্থিতি তৈরি হয়।
পরিবার তাকে একাধিকবার ঢাকার বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যায়। মাসের পর মাস চিকিৎসা চললেও মিলার দৃষ্টিশক্তি আর ফিরে আসেনি। চিকিৎসকদের মতে, মিলাকে সুস্থ করতে হলে বিদেশে উন্নত চিকিৎসা প্রয়োজন, যার ব্যয় আনুমানিক ৭ থেকে ৮ লাখ টাকা।
কৃষক পরিবারের পক্ষে এত বড় অঙ্কের অর্থ জোগাড় করা বর্তমানে অসম্ভব হয়ে দাঁড়িয়েছে। মিলার মা রুমা বেগম বলেন, “আমার মেয়ে আবার বইয়ের অক্ষর দেখতে চাইছে, আবার হাসতে চাইছে। কিন্তু টাকার অভাবে আমরা কিছুই করতে পারছি না।” বড় ভাই রাশেদুল ইসলাম জানান, “আমরা সব চেষ্টা করছি। কিন্তু পরিবারের সামর্থ্যের বাইরে এত ব্যয় বহন করা সম্ভব নয়।”
মিলার শিক্ষক, সহপাঠী এবং এলাকার মানুষও মানবিক সহায়তার আহ্বান জানিয়েছেন। তাদের দাবি—একটু সহযোগিতা ফিরিয়ে দিতে পারে এক তরুণীর হারানো চোখের আলো, ফিরিয়ে দিতে পারে নতুন জীবনের স্বপ্ন।মিলার পরিবারের পক্ষ থেকে সমাজের হৃদয়বান মানুষদের এগিয়ে আসার অনুরোধ জানানো হয়েছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩১৪১৫
১৬১৭১৮১৯২০২১২২
২৩২৪২৫২৬২৭২৮২৯
৩০  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট