
এক সময় প্রভাবশালী দল আওয়ামী লীগের এজেন্ট হিসেবে কাজ করতেন ইউনিয়ন পরিষদের সচিব আবু কালাম আজাদ।
ক্ষমতার দাপটে বিভিন্নভাবে হাতিয়ে নেন ইউনিয়ন পরিষদের নাগরিক সেবা এবং কি ট্রেড লাইসেন্স মৃত্যু সনদ বিধবা ভাতা ভয়েস কর বাতা প্রতিবন্ধী ভাতা ইউনিয়ন পরিষদের যত সেবা আছে তার নামে হাতিয়ে নেন বিপুল অংকের টাকা। ইত্যাদি। সচিব আবু কালাম আজাদের ভাগ্যের চাকা ঘুরে যায় সাততলা আলিশান বাড়ির মালিক। জনগণের কাছে থেকে বিপুলঙ্গের টাকা। একাধিক সূত্রে জানা যায় সাভার তেতুল জোড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সমরের সাথে হাত মিলিয়ে হাতিয়ে নেন ইউনিয়ন পরিষদ থেকে লক্ষ লক্ষ টাকা। পাঁচে আগস্ট সরকার পতন হওয়ার পর তার ফেসবুক আইডি থেকে বিভিন্ন তথ্য মুছে ফেলা হয়। তেতুলজোড়া ইউনিয়ন পরিষদে কর্মগত থাকার অবস্থায় শত কোটি টাকার মালিক বনে যান এবং তার রয়েছেন কাটগড়া বাংলালিংক রোড সাততালা আলিশান বাড়ি এবং মার্কেট তার বাসার সিকিউরিটি গার্ডে বেতন ১৫ হাজার ৫০০ টাকা এবং তার একটি তৃতীয় তলা বাড়ি রয়েছে। সচিব আবু কালাম আজাদের বেতন ২৪৫০০ টাকা সিকিউরিটি গার্ডের বেতন যদি ১৫ হাজার ৫০০ টাকা । তাহলে থাকে ১০০০০ টাকা সংসার চালাতে হিমশিম খেতে হয় সচিব আবুল কালাম আজাদের। আয়ের উৎস কোথায়।সাংবাদিকরা তার আয়ের উৎস জানতে চাইলে সচিব আবু কালাম আজাদ বলেন তার ব্যাংক লুন করে এই বাড়িটি নির্মাণ করা হয়। সাংবাদিকরা এ বিষয় জানতে চাইলে ব্যাংক লোনের কোন কাগজ দেখাতে পারে নাই।
তাহলে এই টাকা অর্থ সম্পদ বাড়ি গাড়ি কোথায় থেকে আসলো। তাহলে কি আলাদিনের চেরাগ পেয়ে গেলেন আবুল কালাম আজাদ।সচিব আবুল কালাম আজাদ। এখন বর্তমানে কর্মস্থলে আছেন শিল্প নগরী আশুলিয়া ধামসোনা ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয় আরো কিছু তথ্য নিয়ে আস্তেছি দ্বিতীয় পর্বে ।