
৮ মার্চ, ২০২৬, বিশ্বজুড়ে পালিত হচ্ছে নারী আন্তর্জাতিক দিবস।আন্তর্জাতিক নারী দিবসের শুভেচ্ছা জানিয়েছে “পরিবেশ সংরক্ষণ ও মানবাধিকার সাংবাদিক ফাউন্ডেশন ” নারীদের সামাজিক, অর্থনৈতিক, সাংস্কৃতিক এবং রাজনৈতিক অর্জনকে স্বীকৃতি জানাতে এবং লিঙ্গ সমতার অধিকার আদায়ে প্রতি বছর এই দিনটি উদযাপিত হয়। ২০২৬ সালের নারী দিবসের
লিঙ্গ সমতা নিশ্চিত করা, প্রজনন স্বাস্থ্য অধিকার রক্ষা এবং নারীর প্রতি সহিংসতা বন্ধে জনসচেতনতা তৈরি করা এই দিবসের প্রধান লক্ষ্য আজকের পদক্ষেপ, আগামীর ন্যায়বিচার, সুরক্ষিত হোক নারী ও কন্যার অধিকার’—এই প্রতিপাদ্য নিয়ে বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও ৮ মার্চ পালিত হচ্ছে আন্তর্জাতিক নারী দিবস। নারীর অধিকার, মর্যাদা ও সমতার প্রশ্নে দীর্ঘদিনের সংগ্রামকে স্মরণ করার পাশাপাশি ভবিষ্যতে আরও নিরাপদ ও ন্যায়ভিত্তিক সমাজ গড়ে তোলার প্রত্যয়ই দিবসটির মূল বার্তা হোক বলে দাবি জানিয়ে নারী দিবসের শুভেচ্ছা জানিয়েছে “পরিবেশ সংরক্ষণ ও মানবাধিকার সাংবাদিক ফাউন্ডেশন’র কেন্দ্রীয় মহাসচিব মোক্তার আহমেদ ।
তিনি বলেন আন্তর্জাতিক নারী দিবসের ইতিহাস মূলত শ্রমজীবী নারীদের অধিকার আন্দোলনের সঙ্গে জড়িত। ১৮৫৭ সালের ৮ মার্চ যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে একটি সুচ কারখানার নারী শ্রমিকরা দৈনিক ১২ ঘণ্টার শ্রম কমিয়ে আট ঘণ্টা করা, ন্যায্য মজুরি নিশ্চিত করা এবং নিরাপদ কর্মপরিবেশের দাবিতে আন্দোলনে নামেন। সেই আন্দোলনের সময় বহু নারী শ্রমিক গ্রেফতার হন এবং নির্যাতনের শিকার হন।
পরবর্তীকালে ১৮৬০ সালের একই দিনে ‘নারীশ্রমিক ইউনিয়ন’ গঠিত হয়। এরপর ১৯০৮ সালে নিউইয়র্কে পোশাক ও বস্ত্রশিল্পের প্রায় দেড় হাজার নারী শ্রমিক একই দাবিতে আবারও আন্দ�